কোনটি নেবেন, তা নির্ভর করে কয়টি দেশে যাবেন তার ওপর। আর একটি বিষয় সবকিছু বদলে দেয়: মেয়াদ শুরু হয় কভারেজে থাকা যেকোনো দেশে প্রথম ব্যবহারের সময়। কেনার সময় নয়, শেষ গন্তব্যে পৌঁছেও নয়।
ভ্রমণপথ দেখে বেছে নিন
আমি শুধু একটি দেশে থাকব
স্থানীয় প্যাক। প্রতি গিগাবাইটে সাধারণত এটিই সবচেয়ে সস্তা, আর বেছে নেওয়াও সবচেয়ে সহজ: একটি গন্তব্য, একটি কভারেজ এলাকা।
আমি একই অঞ্চলের কয়েকটি দেশে যাব
আঞ্চলিক প্যাক, যেমন ইউরোপ, লাতিন আমেরিকা বা এশিয়া। eSIM না বদলেই একটি প্যাক দিয়ে সীমান্ত পার হওয়া যায়। আপনার সব গন্তব্যই অন্তর্ভুক্ত দেশের তালিকায় আছে কি না, দেখে নিন।
আমার ভ্রমণ কয়েকটি মহাদেশজুড়ে
গ্লোবাল প্যাক। প্রতি গিগাবাইটে সাধারণত খরচ বেশি, তবে যাত্রার প্রতিটি ধাপের জন্য আলাদা eSIM কেনা ও ইনস্টল করার ঝামেলা থাকে না।
অন্য দেশে আমার ট্রানজিট আছে। সেটাও কি ধরা হবে?
ট্রানজিটের সময় eSIM কোনো নেটওয়ার্কে কানেক্ট হলে এবং দেশটি কভারেজে থাকলে মেয়াদ সেখানেই শুরু হয়। ট্রানজিট ছোট হলে সবচেয়ে নিরাপদ হলো গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত Wavee লাইন বন্ধ রাখা।
দেশের তালিকা কী বদলে দেয়
শুধু একটি দেশের প্যাক কিনলেও কিছু গন্তব্যে আসলে একটি আঞ্চলিক প্যাক দেওয়া হয়। তখন কভারেজ প্যাকের নামের চেয়ে বড় হয়, আর মেয়াদ তবুও তালিকার যেকোনো দেশে প্রথম ব্যবহারের সময়ই শুরু হয়।
কেনার আগে প্যাকের পাতায় অন্তর্ভুক্ত দেশের তালিকা খুলে দেখুন। প্যাকের নাম নয়, এই তালিকাটিই আসল।
- গন্তব্য অনুযায়ী eSIM দেখুন
বেছে নেওয়ার আগে কভারেজ ও দাম মিলিয়ে দেখুন।